• আজঃ বৃহস্পতিবার, ১লা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং

সুবর্ণচরে নারী পুলিশ সদস্যকে ইভটিজিং করা বখাটেদের ধরে নিয়ে ছেড়ে দিল পুলিশ!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ


নোয়াখালীর সুবর্ণচরে চরজব্বার থানার এক নারী কনস্টেবলকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে ৩ বখাটে যুবককে আটকের তিন ঘন্টা পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্তরা হলো, উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের আবদুর রব ড্রাইভারের ছেলে মামুন (২০), চরজুবিলী ইউনিয়নের ডা.আবদুর রবের ছেলে রুবেল (১৯) ও তার বন্ধু তৌহিদ (১৯)।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চরজব্বার থানা সংলগ্ন গোল চত্তর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরজব্বার থানা সংলগ্ন একটি বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় বসবাস করেন চরজব্বার থানার নারী কনস্টেবল (২২)। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে নারী কনস্টেবল তার বাসার বারান্দায় যান। ওই সময় চরজব্বার থানা সংলগ্ন গোল চত্তর এলাকার হাসেমের চা দোকানের পিছনে বসে চা খাচ্ছিল মামুন, রুবেল,তৌহিদ,আবির। এ সময় ৩ বখাটে বারান্দায় থাকা নারী কনস্টেবলকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ও অশোভন কথাবার্তা বলে ও খারাপ অঙ্গভঙ্গি দেয়। পরে নারী কনস্টেবল চরজব্বার থানায় ফোন করলে তাৎক্ষণিক চরজব্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম ৩জনকে চা দোকানের পিছন থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে আরেক বখাটে আবির হোসেন (২১) থানা মসজিদের ইমামের ছেলে হওয়ায় পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকে ছেড়ে দেয়।

চরজব্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম জানান, আটককৃত যুবকেরা ওই স্থানে আড্ডা না দেওয়ার শর্তে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তিন যুবককে ছেড়ে দেওয়া দেওয়া হয়েছে। নারী কনস্টেবলের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, আবির এ ঘটনায় জড়িত ছিল না বলে তাকে ঘটনাস্থল থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

চরজব্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফজলুল কাদের পাঠোয়ারী জানান, এ বিষয়ে যে (এসআই) আটক করেছে সে বলতে পারবে আমি কিছু বলতে পারব না।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জিয়াউল হক জানান, আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। এ বিষয়ে ওসি (তদন্ত) এর সাথে কথা বলুন।