• আজঃ সোমবার, ১১ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জুলাই, ২০২১ ইং

সোনাইমুড়ীতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে ভাসুর ননদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা

সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:


শশুর বাড়ীতে পরকিয়া প্রেমিক সহ এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়ে ভাসুর ননদ সহ চার জনের বিরুদ্ধে থানায় যৌতকের দাবীতে মারধর, নারী ও শিশু নির্যানতের মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে প্রবাসীর স্ত্রী রাবেয়া আক্তার শিখা’র (২২) বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোনাইমুড়ী উপজেলার নদনা ইউনিয়নের উত্তর শাকতোলা গ্রামের মাহবুব কেরানীর বাড়ীতে।

জানা যায়, গত দুই বছর আগে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের উত্তর শাকতোলা গ্রামের মৃত: শফি উল্যার ছেলে প্রবাশ ফেরত ছেলে নিজাম উদ্দিনের সাথে চাষিরহাট ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামের ছালাম ক্বারী বাড়ীর মৃত: নুর হোসেনের কণ্যা রাবেয়া আক্তার শিখার বিয়ে হয়। বিয়ের এক মাসের মধ্যে স্বামী নিজাম উদ্দিন জীবিকার তাড়নায় কাতারে পাড়ি দেয়।

এ সুযোগে স্ত্রী শিখা একই বাড়ীর শাহ আলমের ছেলে মো. রাসেলের (২৬) সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। গত ১৪ জুন সোমবার গভির রাতে রাসেল চুপিসারে শিখার ঘরে প্রবেশ করে। বিষয়টি বাড়ীর অন্য প্রতিবেশীরা টের পেয়ে পাহারা বসায়। দীর্ঘ সময় পরে রাসেল পিছনের দরজা খুলে বের হওয়ার সময় পাহারারত লোকজন তাকে হাতে নাতে আটক করে। গভির রাতে অন্য নারীর ঘরে প্রবেশের কারণ জনাতে চাইলে সে পরকিয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। এর পর থেকে শিখা তার বাবার বাড়ীতে রয়েছে।
সম্প্রতি রাবেয়া আক্তার শিখা বাদী হয়ে ভাসুর মো. জসিম উদ্দিন (৪৫), ননদ শাহীদা আক্তার (২৮), ফাতেমা আক্তার (২৫) ও আয়েশা আক্তারকে (২০) বিবাদী করে শারীরিক নির্যাতন ও যৌতক আদায়ের অবিযোগ এনে থানায় নারী নির্যাতন দমন আইনে এজাহার দাখিল করেন।
একই বাড়ীর বাসিন্দা রাশিদা বেগম বলেন, শিখা আমার আপন খালাত বোন। আমি ঘটকালী করে নিজাম উদ্দিনের সাথে শিখার বিয়ে দেই। শিখা রাসেলের সাথে পরকিয়ায় লিপ্ত আমার নিকট স্বীকার করেছে। ঐদিন রাতে তারা একা এক ঘরে দীর্ঘ সময় থাকার পরে আমার সামনে তাদেরকে হাতে নাতে আটক করা হয়। এর পূর্বেও সে অজ্ঞাত এক ছেলের সাথে মোবাইল ফোনে পরকিয়ায় জড়িত ছিলো। ইমোতে নোংরা ছবি লেন দেনের বিষয় প্রকাশ পাওয়ার পরে উভয় পরিবারের মধ্যে শালিশ বৈঠকে সে দোষ স্বীকার করে। এমন ঘটনা আর হবেনা বলে সবার নিকট ক্ষমা চায়। সে থানায় যে অভিযোগ করেছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

এবিষয়ে কথা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাইমুড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম জানায়, ঘটনার তদন্তে আমি অভিযোগকারিনীর শশুর বাড়ী গিয়ে উপস্থিত অনেকের সাথে কথা বলি। লিখিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমি তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করার পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।