• আজঃ বুধবার, ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই এপ্রিল, ২০২১ ইং

সোনাইমুড়ীতে দুই মেয়র প্রার্থীর সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে দুই মেয়র প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে মোহন নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে ভোটারদের জোর করে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে বাধ্য করায় দুই এজেন্টকে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পৃথক কেন্দ্রে এসব ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সোনাইমুড়ী উপজেলার বাহারকুট গ্রামের আবদুল হকের ছেলে মোহন(২০)। অন্য আহতরা হলেন, উলুপাড়া গ্রামের স্বপন মিয়ার ছেলে মনির হোসেন(২২) ও আমিরাবাদ গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে সালা উদ্দিন(২৯)সহ চারজন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা জানান, তারা সবাই আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নৌকা প্রতীকের সমর্থক। সকালে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর তারা পৌরসভার ৬ নম্বর বাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পাশের একটি বাড়িতে বসে ছিল।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইল প্রতীকের একদল সমর্থক তাদের ওপর অর্তকিত হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায় ও ককটেলের বিস্ফোরণ করে। এতে মোহনের পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে। হামলার সময় দৌড়ে পালাতে গেলে মনির ও সালা উদ্দিনসহ আরও চারজনকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে জখম করে হামলাকারীরা।

আহত মনির হোসেন বলেন, কোনো প্রকার উস্কানি ছাড়াই মোবাইল প্রতীকের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। মোহন, সালা উদ্দিনসহ আমরা তিনজন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছি। মোহনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা এসআই রুবেল মিয়া জানান, সকাল থেকে কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। সকালে কেন্দ্রের বাইরে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বলে শুনেছি।

অন্যদিকে পৌরসভাটির ১ নম্বর কৌশল্যারবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেলা ১১টার দিকে ভোট দিতে আসা কয়েকজন ভোটারকে জোর করে সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীর চশমা প্রতীকে ভোট দিতে বলে দুইজন এজেন্ট। পরে ভোটারদের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দুই এজেন্টকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন দায়িত্বে থাকা পুলিশের এসআই ফারুক হোসেন।

উল্লেখ্য, পৌরসভার মোট নয়টি ওয়ার্ডের নয়টি কেন্দ্রে রবিবার সকাল থেকে ভোট গ্রহণ চলছে। পৌরসভাটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার ২৩২ জন, এর মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার ৮৩৬ ও নারী ভোটার রয়েছে ১২ হাজার ৩৯৬জন।