• আজঃ বৃহস্পতিবার, ১লা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং

সেই লেস্টারের বিপক্ষে রেকর্ড গড়লো লিভারপুল

ইংলিশ লিগে (বর্তমান প্রিমিয়ার লিগ) ঘরের মাঠে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলের টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ড ছিল ৬৩ ম্যাচ। ১৯৮১ সালে লেস্টার সিটির কাছে হার দেখে সে যাত্রায় থামতে হয় অলরেডদের। ৩৯ বছর পর আবার ৬৩ ম্যাচ অপরাজিত থেকে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল লিভারপুল-লেস্টার। তবে অ্যানফিল্ডে এদিন আর হারেনি ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। বরং ৩-০ গোলের সহজ জয়ে নিজেদের অতীত রেকর্ড ভেঙে ঘরের মাঠে টানা ৬৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকলো লিভারপুল।

রোববার রাতে অ্যানফিল্ডে দলের সেরা তারকাদের অনেককে পায়নি অলরেডরা। ইনজুরি ও করোনা সমস্যায় এদিন লিভারপুলের হয়ে মাঠে নামেননি নিয়মিত অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসন, ট্রেন্ট অ্যালেকজান্ডার-আর্নল্ড, মোহামেদ সালাহ, জো গোমেজের মতো তারকারা। তবে তাদের অভাব বুঝতে দেননি সাদিও মানে, ডিয়েগো জোতা, রবার্তো ফিরমিনোরা। ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকে আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছিল অলরেডরা। তবে অলরেডদের প্রথম গোল আসে লেস্টারের ভুলে। ম্যাচের ২১ মিনিটে কর্নার থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়ান লেস্টার ডিফেন্ডার জনি ইভান্স। প্রথমার্ধে আরেকটি গোল পায় লিভারপুল। ম্যাচের ৪১ মিনিটে লিভারপুলের পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড জোতার গোলে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় অলরেডরা।

ম্যাচের ৫৬ মিনিটে গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন অলরেডদের সেনেগাল ফরোয়ার্ড মানে। তবে লেস্টার গোলরক্ষক স্মাইকেলের অসাধারণ দৃঢ়তায় সেই যাত্রায় রক্ষা পায় লেস্টার। এরপর ইভান্স আবারও আত্মঘাতী গোল করতে বসেন। তবে এবার এই ডিফেন্ডারকে বাঁচিয়ে দিয়েছে নিজেদের গোলবার। এরপর অসাধারণ এক সেইভও করেন ইভান্স। ৭৬ মিনিটে ফিরমিনোর শট পোস্টে লেগে ফিরলে ফিরতি শটে জালে বল জড়ানোর সুযোগ ছিল এই ব্রাজিলিয়ানের। তবে গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করেন ইভান্স। যদিও ৮৬ মিনিটে ফিরমিনোকে আর গোল করা থেকে আটকানো যায়নি। জেমস মিলনারের কর্ণার কিক থেকে হেডে বল জালে জড়িয়ে লিভারপুলকে ৩-০ গোলে এদিয়ে দিয়ে জয় নিশ্চিত করেন ফিরমিনো।

এই জয়ে ৯ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুইয়ে উঠে এসেছে লিভারপুল। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে এগিয়ে হোসে মরিনহোর টটেনহাম হটস্পার। এদিন লিগের আরেক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোলশূন্য ড্র দেখেছে আর্সেনাল ও লিডস ইউনাইটেড।