• আজঃ শনিবার, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

জ্যোতিষ্ক বৈচিত্র্য – মুহা. কবির হোসেন

নিদর্শনে ঘেরা বিশ্ব ভূমণ্ডল নভোমণ্ডল
করিয়াছে সৃজন প্রভু ,
শুকতারার নক্ষত্র চতুর্দশী চাঁদ
জ্যোতিষ্ময় উজ্জ্বল সূর্য ।

অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশ ভৌগলিক অবস্থানে
সাজে ঋতু বৈচিত্র্যমান ,
চন্দ্র সূর্যের হিসেবে পরিচালিত
এ বিশ্ব সংসার বহমান।

সৌর জগতের ক্যপটৈন সূর্য
আছে দ্বিতীয় গ্রহ শুক্র ,
সূর্যের বাহিরে অন্তঃনক্ষত্রিক
সৌর গোলক ও শুভ্রু ।

শুক্রের এক বড়ো পরিচয়
বৈশিষ্ট্যে পৃথিবীর বোন ,
সন্ধ্যা আকাশে শুকতারা ডাকে
লুফিফা নামেই সে স্বয়ং।

সকালের আকাশে লূফিফা যারে
শয়তান নামেও ডাকে ,
সন্ধ্যার আকাশে শুকতারা হয়ে
পশ্চিম আকাশে হাঁকে।

পৃথিবীর অতি কাছাকাছি শুক্র
দেখতে মেঘের মতো ,
তাইতো আকাশের ছোট বড়ো নক্ষত্র
দেখিনা আছে যতো।

দিনের গতি বছরের চেয়ে বেশী
আবর্তন গতিতে ধীর ,
সব গ্রহের উল্টোই সে ঘোরে
তাইতো সূর্য সে বীর।

ক্ষমতাধর প্রভুর অপূর্ব মহাকাশে
কতোইনা জ্যোতিষ্কের খেলা
স্ব স্ব কক্ষে করিতেছে পরিভ্রমণ।
রঙ বি- রঙের মেলা।

সূর্যের অয়নবৃত্তে সাতাশ নক্ষত্রের ভাগ
প্রত্যেকটিই বাস্তবে তারামণ্ডল
সময়ের কাটা ঘুরে আটাশতম নক্ষত্র
আসে অভিজিৎ দীপাণ্ডল।

চাঁদের আছে ষোল কলা সার
জ্যোসনাময় চতুর্দশীর চাঁদ ,
ষোল কলা পূর্ণে জন্মিলেয়ে তার
ললাটে ফুটফুটে নাদ।

পূর্বাকাশে যে সগৌরবে জন্মে
আকাশের অবসাদ কেটে ,
বছরের নয় মাসন্তরে এলে পূর্ণিমা
দ্বিতীয় নীলচাঁদ হাসে।

পূর্ণিমার কাছাকাছি আবার সে সগৌরবে
কোজাগরী পূর্ণিমার হাঁকে ,
জ্যোসনা মণ্ডিত করে রজনীকান্তে রবে
নিসর্গ ঐ চাঁদ ঠোঁট বাঁকে ।

উজ্জ্বল সূর্য চতুর্দশী চাঁদ আর
শুকতারার নক্ষত্র বেশ ,
স্রষ্টার সৃষ্টি জমিন সংলগ্ন আসমান
এরই মাঝে আমার দেশ।