• আজঃ সোমবার, ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জুন, ২০২২ ইং

বিনিয়োগ করে বিদেশে নাগরিকত্ব পাওয়াদের তালিকা চায় দুদক

বিদেশে বিনিয়োগ করে যেসব বাংলাদেশি বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন তাদের তালিকা তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটির মানি লন্ডারিং বিভাগ। এতে বলা হয়েছে, বিনিয়োগের আড়ালে অর্থপাচারের প্রমাণ মিললে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কানাডা, সিঙ্গাপুর, মালেয়েশিয়াসহ নানান দেশেই বিনিয়োগ রয়েছে বিভিন্ন বাংলাদেশির। ইনভেস্টমেন্ট কোটার মাধ্যমে বিনিয়োগ করে অনেকে আবার বিদেশি নাগরিকত্ত্বও পেয়েছেন। আলোচিত পানামা, প্যারাডাইস পেপারসেও এসেছে বেশ ক’জন বাংলাদেশির নাম। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) এর সবশেষ প্রতিবেদন বলছে, কেবল ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৯৮ হাজার কোটি টাকা।

দুদক মনে করছে, বিদেশে বিনিয়োগের নামে পাচার হচ্ছে দেশের অর্থ। আর তাই বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত কতজন বিভিন্ন দেশে ইনভেস্টমেন্ট কোটায় নাগরিকত্ত্ব পেয়েছেন তার তথ্য জানতে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে দুদকের মানি লন্ডারিং বিভাগ।

দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মোজাম্মেল হক খান জানান, বাংলাদেশ থেকে কোনো নাগরিক বিনিয়োগ কোটায় কোনও অর্থ প্রেরণ করেছে কি না? এ বিষয়ে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহ থেকে তালিকা প্রেরণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর দুদক থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

বিনিয়োগ করে বিদেশে নাগরিকত্ত্ব পাওয়া বাংলাদেশিদের তথ্য কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সংগ্রহ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে দিতে বলেছে দুদক।

ড. মোজাম্মেল হক খান আরও জানান, এ তালিকা হাতে পাওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে দেশ থেকে পাঠানো অর্থ বৈধ পন্থায় পাঠানো হয়েছে কি না। এমনকি তাদের পাঠানো অর্থ মানি লন্ডারিংয়ের পর্যায়ে পড়ে কি না তাও খতিয়ে দেখা হবে।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে মিস-ইনভয়েসিং, হুন্ডির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুল অর্থ পাচার হচ্ছে। পাচারকারীদের তথ্য জানলে সংস্থাটি আইনি ব্যবস্থা নেবে।

দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।