• আজঃ শনিবার, ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ই আগস্ট, ২০২২ ইং

শীতে করোনার সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা

শীতে দ্বিতীয় দফায় করোনার সংক্রমণ তীব্র হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও, সে ভয়কে পাত্তা দিচ্ছেনা সাধারণ মানুষ। এমনকি ভাটা পড়েছে সরকারের জনসচেতনতা কার্যক্রমেও।

যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, সংক্রমণ তীব্র হলে, সব হাসপাতালেই কোভিড চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আইসোলেশন আর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দেয়া সহজ হবে।

জানুয়ারিতে করোনা বিষয়ে প্রতিদিন সাড়ে বারোটায় দৈনিক প্রেস ব্রিফিং চালু করে আইইডিসিআর। সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে, ২৩শে মার্চ ব্রিফিং শুরু হয় অনলাইনে। এপ্রিলে সময় আর বক্তাও পরিবর্তন হয়। তবু মানুষের আগ্রহ ছিলো এই প্রেস ব্রিফিংয়ে। কিন্তু ১১ই আগস্টের পর এই ব্রিফিংও বন্ধ হয়ে যায়। তার বদলে পাঠানো হয় প্রেস রিলিজ। কমতে থাকে মানুষের আগ্রহও।এখন সড়কে, চায়ের দোকানে, আড্ডায় বোঝার উপায় নেই মহামারী চলছে। অথচ শীত আসছে। চীনেও করোনার তাণ্ডব সবচেয়ে বেশি ছিলো ঠাণ্ডার সময়টাতেই। ইউরোপেও একবার কমে গিয়ে আবারও হামলা শুরু করেছে মহামারীর ভাইরাস। বাংলাদেশেও একই শঙ্কা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

আইইডিসিআর এর উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘করোনার প্রভাব থাকলেও সবকিছু খুলে গেছে অর্থনীতির জন্য। মানুষ নিজে নিজে কোয়ারেন্টিন করতে গেলে জীবন-জীবিকা নষ্ট হবে। তাই অবশ্যই সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি রোগীকে আইসোলেসন করা রোগীর স্বজনদের কোয়ারেন্টিন করার ব্যবস্থা করতে হবে।’

দেশে এখন কোভিড-১৯ চিকিৎসায় হাসপাতালে শয্যা আছে ১১ হাজার ৭৩০টি। রোগী ভর্তি আছে ২৪৩৮ জন। অর্থাৎ প্রায় ৮০ শতাংশ শয্যাই খালি। ৫৬৪ টি আইসিইউর অর্ধেকেরও বেশি খালি আছে।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. রওশন আনোয়ার বলেন, ‘টেস্টের সংখ্যা, বেডের সংখ্যা খালিই থাকতেছে, যখন বেড ফুল হয়ে যাবে তখন সরকার এর সংখ্যা বাড়ানো চেষ্টা করব। এখন খালি রেখে তো এর সংখ্যা বাড়ানোর কিছু নেই।’

দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।