লোড বন্ধ করুন
  • আজঃ মঙ্গলবার, ৫ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ ইং

নাটোরে করোনা ৫৬২ নমুনা পেন্ডিং, টানা ২ দিন পরীক্ষা না হওয়ায় শঙ্কা বাড়ছে

মোঃ বেলায়েত হোসেন নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ


নাটোরে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পেয়ে সুস্থ হয়েছেন জেলায় মোট ১৫২ জন। শতকরার হিসাবে এ সুস্থতার হার ৩৯.২৭শতাংশ। বৃহস্পতিবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে এটা নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডাঃ কাজী মিজানুর রহমান।

এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে আছেন পাঁচ জন। হোম আইসোলেশনে আছেন ২২৯ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৪৯৩১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যার মধ্যে এখনো ৫৬২ জনের নমুনা পেন্ডিং থাকায় আবারো আশঙ্কা বাড়ছে অধিক সংক্রমণের।

সিভিল সার্জন অফিস সুত্র জানায় গত মঙ্গল ও বুধবার নাটোরের কোন নমুনা পরীক্ষা হয়নি। একারণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। দ্রুত নুমনা পরীক্ষার না হওয়ায় করোনা ছড়ানোর একটি প্রধান কারণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ অবস্থায় দ্রুত নমুনা পরীক্ষা এবং আক্রান্তদের শানাক্ত করে আলাদা করে ফেলতে না পারলে সামাজিক পর্যায়ে ভয়াবহভাবে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নাটোর সিভির সার্জন অফিস সুত্রে জানা যায় , গত মঙ্গল ও বুধবার রামেক ল্যাবে করোনার কোন নমুনা পরীক্ষা হয়নি। এসব নমুনা পরীক্ষা শেষে হতে না হতেই নতুন করে আবার নমুনা জমা হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে দেরী হচ্ছে। অনেকে করোনা পজেটিভ হওয়া সত্বেও রিপোর্ট না পাওয়ায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ছড়িয়ে পড়ছে করোনা সংক্রমন।একটি সুত্র জানায় নমুনা প্রদানের পর নমুনা প্রদানকারী ব্যক্তির হোম আইসলেশানে থাকার কথা। কিন্তু এটা অনেকেই মানছেন না।

এ বিষয়ে নাটোরের সিভিল সার্জন ডাঃ কাজী মজিানুর রহমান জানান,আমরা নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ ও তা পরীক্ষার জন্য রামেকে প্রেরন করছি। এখন পরীক্ষা করার বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। কারণ নাটোরে কোন পিসিআর ল্যাব নেই। সুতরাং এখানে পরীক্ষা করানোর কোন সুযোগ নেই। আমরা নাটোরে একটি পিসিআর ল্যাব ,করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আইসিইউ এবং ভেন্টিলেটর বরাদ্দের জন্য আবেদন করা হয়েছে।