• আজঃ শুক্রবার, ২৩শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই আগস্ট, ২০২০ ইং, ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

প্রসঙ্গঃ তারুণ্যের ভাবনায় বঙ্গবন্ধু

জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে রাজনৈতিক, সামাজিক ও যুব প্লাটফর্ম সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জড়িত উদ্যমী “যুব সম্প্রদায়” আজ উজ্জীবিত ও অনুপ্রানিত যা সকল শ্রেণীপেশার মানুষকে উৎসাহিত করে।বঙ্গবন্ধু ছিলেন তরুনদের প্রতীক স্বরুপ, যুবকদের সুসংগঠিত করার এক মহানায়ক,  স্বাধীনতার মহানায়ক তার যে বলিষ্ঠ বজ্রকন্ঠ সেই কন্ঠ আর কোনদিন পাওয়া যাবে না, তার সাবলীল বাচনভঙ্গি ও বলিষ্ঠ কন্ঠস্বরের কারনে স্বাধীনতার সংগ্রামে তরুন যুবারা নেমে পড়েছিলেন স্বেচ্ছায় যুদ্ধে,এই অবদান তার অনন্য দৃষ্টান্ত।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তার শিল্প সাহিত্যের চেতনা বাঙ্গালী তারুণ্যের জন্য হয়েছে উদ্দীপ্ত।  বাঙ্গালীর বোধ এটি ছিলো সর্বদা মগজে মননে কাজের প্রতিফলনে। তিনি ছিলেন কালোত্তীর্ণ এক মহাকাব্য তার কাজ তার দর্শন তিনি তারুণ্য দীপ্ত এক ব্যাতিক্রমি সংগঠক, সবসময়ই সে বৃত্তের বাহিরে চিন্তা করতেন,করতেন সমস্যা সমাধানের । পয়েন্ট অব পলিটিক্সের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনন্য ভিন্ন, দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো ইতিবাচক, রাজনৈতিক মাঠ থেকে শুরু করে জাতীয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার অবদান লক্ষ্মণীয় প্রশংসনিয়।

তারুণ্যময় বঙ্গবন্ধু মানেই ছাত্রদের নেতৃত্ব বিকাশে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও স্বীকৃতি শ্রেষ্ট। তার ডাকে সারা দিয়েছেন লাখো যুবক, আন্দোলন সংগ্রামে ছিলো যুবকদের ভুমিকা চোখে পড়ার মতো। মহাকালের মহামানব হিসেবে আর কখনো পাওয়া যাবে না বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো মানুষকে।

তিনি আমাদের দেশের মানুষের কাছে মহা মানব হিসেবে তিনি স্মরনীয় বরনীয়,  নিপীড়িত মানুষের আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করতেন সব সময়, নিজে না খেয়ে অসহায় মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসতেন তিনি , এরকম অসংখ্য গল্প আছে আমাদের প্রিয় নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘিরে। বাঙালির সূর্যসন্তান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আলোকময়, তার আলোয় আলোকিত,দেশের মানুষ।

কবির ভাষায় বলতে ইচ্ছে হয়।
একটি আলোর কণা পেলে লক্ষ প্রদীপ জ্বলে
একটি মানুষ মানুষ হলে বিশ্ব জগত টলে।

তিনি হলেন আলোকিত মানুষ তরুন ও যুবকদের জন্য। তিনি তরুনদের নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসতেন তার কাজেই সেবিষয়ের প্রমান মেলে। ধর্ম-বর্ণ-জনগোষ্ঠীর নিবেদিত প্রাণ মানুষ ছিলেন ধর্মপ্রাণ আমাদের কান্ডারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সে সকল ধর্মের মানুষকে এক চোখে দেখেছেন, সৌহার্দ্য আর সম্প্রিতির এক মেলবন্ধন তৈরী করে গেছেন সে যার আজও দৃষ্টান্ত রয়েছে।

প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোল এই বক্তব্যের ইতিহাস দেশের কে না জানে, উদ্দীপনা, উজ্জীবিত, অনুপ্রাণীত,ও সুসংগঠিত করার এই মহান উচ্চারণ শক্তি কার আছে আর। নেই আর কখনো তা হবেও না।  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তরুণ যুবশক্তির অনন্য দৃষ্টান্ত, তার প্রেরনার শক্তি ছিলো প্রখর,তরুনদের সুসংগঠিত তরুণদের জয়গানে আনন্দ পেতেন তিনি, তরুনশক্তিকে দেশের উন্নয়নে অন্যতম শক্তি বলেছেন তাদেরকে পরিবেশ দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে সুসংগঠিত করতে বলেছেন সবসময়ই।  তরুণ যুবকদের সামনে এগিয়ে দিয়ে সুন্দর দেশ গঠনে অনন্য ভুমিকা তথা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে সকলকে নিয়ে।


লেখকঃ নাসরিন নাজ
শিক্ষক, সাংবাদিক, কবি,প্রকাশক । 
কেডিসি রোড আলম নগর, রংপুর। 


ফেসবুকে লাইক দিন