• আজঃ মঙ্গলবার, ২১শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ই জুলাই, ২০২২ ইং

সীমান্ত হত্যায় চুপ কেন সরকার? প্রশ্ন রিজভীর

নগর২৪ ডেস্কঃ


সীমান্ত হত্যার নিন্দা জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সীমান্তে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশিদের হত্যা করছে বিএসএফ। বাংলাদেশের ভেতর থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনও চালায় বিএসএফ। গত তিন মাসে তারা ২৫ বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যা করেছে।

গত ২ জুলাইতেও তারা একজনকে হত্যা করছে। শনিবারও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মানসিক ভারসাম্যহীন জাহাঙ্গীর আলমকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ভয়ঙ্কর অমানবিক মনুষ্যত্বহীন ঘটনা দেশবাসীকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। অথচ বাংলাদেশ সরকার টু শব্দটি পর্যন্ত করে না। এই বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী চুপ কেন?

তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই। নতজানু সরকার কোনো প্রতিবাদ করারও সাহস পাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে এই একপেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশীরা। বর্তমান সরকার কতটুকু নতজানু যে, এর আগে আমরা দেখেছি– বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীরা বিএসএফের হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রতিবাদ না করে বরং তাদের গুলিতে নিহত বাংলাদেশীদেরই অভিযুক্ত করেছে। গত তিন মাসে বিএসএফের সব হত্যাকাণ্ডের আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিএনপি নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা শহরে বাড়িওয়ালারা ভাড়াটিয়া খুঁজে পাচ্ছে না। সবাই ঢাকা ছেড়ে গ্রামমুখী হচ্ছেন। স্বল্পআয়ের মানুষরা করোনার আঘাতে কর্মহীন হয়ে পড়েছে, এর ওপর বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও জ্বালানি তেলের অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধিতে তাদের জীবন ওষ্ঠাগত। শ্রমিক ছাঁটাই আর চাকুরিচ্যুতির হিড়িক পড়ে গেছে দেশব্যাপী। চাকুরি হারিয়ে আত্মহত্যা করছে মানুষ।

এক নজিরবিহীন সংকটের মধ্যে পড়েছে মধ্য ও স্বল্প আয়ের মানুষ। সরকারের লোকেরা এই সংকটগুলোর নজর না দিয়ে জনদৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে বিরোধী দলের ওপর ঝাঁক বেঁধে আক্রমণ শুরু করেছে। সেখানে শুধু মিথ্যা কথার ফুলঝুরি নয়, চলছে গুম, মিথ্যা মামলা, হামলা ও গ্রেফতারের হিড়িক।

দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।