গাইবান্ধা থেকে আবু নাসের সিদ্দিক তুহিনঃ
কোভিড উনিশ করোনা ভাইরাসে লকডাউনে থাকার গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরাঁ দোকানপাট বন্ধ থাকায় খাবারের সংকটে পড়া মানষিক ভারসাম্যহীন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মানুষ গুলোকে পড়তে হয়েছে বিপাকে ।
খেয়ে না খেয়ে তারা মানবতের জীবন যাপন করছিলেন। অতিসম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন এস এ টেলিভিশনের রিপোর্টার কায়সার প্লাবনের প্রতিবেদন সম্প্রচার হওয়ার পর জেলা পুলিশ এই সব মানুষের দায়িত্ব নেন।
প্রতিরাতে তাদের খাবার বিতরন সহ চিকিৎসার ব্যবস্থা নেন। রবিবার শহরের ষ্টেশন রোড় এলাকা থেকে ভারসাম্যহীন সেলিককে নিয়ে আসা হয় গাইবান্ধা সদর থানায় চত্বরে এর পর তাকে গোসল করিয়ে নতুন পোশাক পড়িয়ে খাবার খাইয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পাবনার মানসিক হাসপাতালে মাইক্রো যোগে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
এ সময় সেলিমের বাবা সাংবাদিকদের বলেন আমার ছেলে গত কয়েক বছর থেকে অসুস্থ অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছে, বাড়িতে থাকে না, টাকার অভাবে ওকে চিকিৎসা করাতে পারি নাই ।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সেলিম
আজকে পুলিশের সাহায্যে যে তাকে পাবনা হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে এতে খুব খুশি আমি। অন্য দিকে মানবাধিকার কমী সালাউদ্দিন কাশেম বলেন সমাজের এই মানুষের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার দরকার ।
অন্যদিকে নিরাপদ চিকিৎসা চাই এর জেলার সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন প্রতিটি মানুষের চিকিৎসার পাবার অধিকার আসে ,সুচিকিৎসা পেলে একটা অসুস্থ মানুষও দ্রুত ভাল হয়ে উঠে, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজকর্মী আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন বলেন এই সকল অসহায় ভাসমান মানুষ আমাদের সমাজের একটি অংশ তাদেরকে ফেলে রেখে সমাজ এগোতে পারে না, গাইবান্ধার পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলামের এ উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনিয় ও অনন্য দৃষ্টান্ত।
এদিকে পুলিশ সুপার মোঃ তৌহিদুল ইসলাম বলেন সমাজে ছিন্নমুল মানুষ গুলো পাশে জেলা পুলিশ সব সময় কাজ করে আসছিলো সবসময়ই পাশে থাকবে । আগামীতেও কাজ করে যাবে। এ জন্য তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানার অফিসার ইনচাজ খান মোঃ শাহারিয়া, টি আই এডমিন নুর আলম সিদ্দিক, মানবাধিকার কমী সালাউদ্দিন কাশেম ,নাজিম আহম্মেদ রানা ,নিরাপদ চিকিৎসা চাই জেলার সাধারন সম্পাদক জিয়াউর সহ বিভিন্ন সাংবাদিকবৃন্দ।