• আজঃ মঙ্গলবার, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৯শে নভেম্বর, ২০২২ ইং

মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র রাব্বানীর বিরুদ্ধে টিআর প্রকল্পের অর্থ নয়ছয় করার লিখিত অভিযোগ

সারোয়ার হোসেন :


রাজশাহীর তানোর মুন্ডুমালা পৌরসভার ১৯-২০অর্থ বছরের টিআর প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ২য় কিস্তির চার লক্ষ একান্ন হাজার টাকা ও এর আগে প্রথম কিস্তির টাকা কাউন্সিলরদের ছাড়াই মেয়র গোলাম রাব্বানী তার ইচ্ছে মত তার অনুসারীদের নিয়ে নয়ছয় করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ(গতকাল)বুধবার সকালে মুন্ডুমালা পৌরসভার ছয় কাউন্সিলর বাদি হয়ে রাজশাহী জেলা ডিসি ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে মেয়র গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে এ লিখিত অভিযোগ করেন।

এতে করে মেয়র গোলাম রাব্বানীর এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ফাঁস হয়ে পড়লে পৌর এলাকাজুড়ে দেখা চাঞ্চল্যকর অবস্থা ও বিরাজ করছে পৌর কর্মচারিদের মধ্যে উত্তেজনা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মুন্ডুমালা পৌরসভার উন্নয়নে আশা ১৯-২০অর্থ বছরের ও এর আগের বরাদ্দকৃত অর্থ কাউন্সিলরদের বাদ দিয়ে মেয়র গোলাম রাব্বানী তার ইচ্ছে মত অনুসারীদের দিয়ে বরাদ্দের টাকা বন্টন করে আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

যার ফলে বরাদ্দের টাকা বন্টনে কাউন্সিলরদের না দেয়ায় কাউন্সিলরদের নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন কাজ থেকে বঞ্চিত হয়েছে জনসাধারণগন বলেও অভিযোগ করেন কাউন্সিলররা। মুন্ডুমালা পৌরসভার কাউন্সিলর নাহিদ হাসান ও আমিনুর ইসলাম আমিন বলেন, আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি।

আর যদি পৌরবাসীর উন্নয়নে আশা বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা বন্টন করতে আমাদের না ডেকে মেয়র তার ইচ্ছে মত তার অনুসারীদের নিয়ে ভাগবাটোয়ারা করে নেয় তাহলে আমরা আমাদের নির্বাচনী এলাকায় কি উন্নয়ন কাজ করবো।

আর জনগণের কাছে কি জবাব দিব বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরে বলেন, শুধু তাই না এর আগেও মেয়র পৌর এলাকার উন্নয়নের নামে পৌরসভার ফান্ডের টাকা নয়ছয় করেছে। এবার আর মেয়রকে ছাড় দেয়া হবেনা।

আমরা কাউন্সিলররা মেয়রের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ তুলে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি এবং সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানিয়েছি।

মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র গোলাম রাব্বানী তার বিরুদ্ধে তোলা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোন অনিয়ম দূর্নীতি করিনি কাউন্সিলররা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে বলে তিনি জানান।

সারোয়ার হোসেন, তানোর

দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।