• আজঃ শনিবার, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১লা অক্টোবর, ২০২২ ইং

কুয়েত প্রবাসীর মৃত্যু নির্মমতা লাশ দাফন

প্রবাস ডেস্ক:


একঝাঁক সাদা বকের মতো শেষ বিদায়ের বন্ধু দের দ্বারা সুন্দর ভাবে সম্পুন্ন হলো অবহেলায় সারা দিন উঠানে পড়ে থাকা ছালে আহম্মদের লাশের দাপন।

আর কত নিষ্ঠুরতা শুনবো। আর কত নির্মমতা দেখবো। দিনদিন ভারী হচ্ছে মন। করোনা আমাদের দেখিয়ে দিলো দুনিয়ার কেউ নয় আপন। করোনা তুমি আরো কিছুদিন থাকো। অমানুষ নয়, শুধু মানুষ গুলো রেখো।

এতোদিন করোনা নিষ্ঠুরতা কথা শুনেছি দুরের এলাকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এবার নিজের উপজেলা মিরসরাইতে দেখছি নিষ্ঠুরতা ঘটছে।

মিরসরাই উপজেলার ৫নং ওসমান পুর ইউনিয়নের সাহেবপুর কালা বক্স বাড়ি, কুয়েত প্রবাসি ছালেহ আহমদ। দীর্ঘদিন প্রবাস করে ২বছর আগে দেশে এসে চট্টগ্রাম শহরে পরিবার নিয়ে থাকেন। ছালে আহমদের ছেলের ঘরে নাতি হয়েছে। সবাই হাসপাতালে ব্যস্ত। ঘরে অপ্রয়োজনী বৃদ্ধ বাবা নামের গুরুত্বহীন মানুষটি ঘরে একা মরে আছে।

একমাত্র বড়ো ভাই নুর আহমদ ও চট্টগ্রাম থাকেন। ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ভাই লাশ নিয়ে গ্রামে আসেন বুধবার ফজরের কিছু সময় পর। স্ত্রী সন্তান পরিবারের কেউ সাথে না আসায় বাড়ীর লোকজন হঠাৎ লাশ দেখে করোনা রোগী ভেবে মুহূর্তে বাড়ির সব মানুষ নাই হয়ে যায়।

সারাদিন মৃত ছালেহ আহমদের লাশ উঠানে রোদ বৃষ্টিতে চৌকির উপর পড়ে থাকে। বিকাল ৫টায় শেষ বিদায়ের বন্ধু রা ছালে আহমেদের বড়ো ভাই নুর আহমদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন স্যারের অনুরোধে লাশ গোসল ও দাপন কাঁপন সম্পন্ন করেছে।

কার জন্য দুনিয়ার এতো আয়োজন, সারাজীবন নিজের সমস্ত চাহিদা প্রয়োজনকে গুরুত্বহীন মনে করা। আজ পরিবার স্ত্রী সন্তান তারা কোথায়? শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠনের কি প্রয়োজন? কি দরকার এ সংগঠনের? কেন? মরার পর বোবা লাশের কাছে নয়, এর জবাব চাই আপনার কাছে!।

জীবন থাকতে নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন। চারপাশে চোখ খোলা রাখুন। শেষ বিদায়ের বন্ধু আপনার একমাত্র আপন বন্ধু। তাকে জীবন থাকতে গুরুত্ব দিন। আমরা শেষ বিদায়ের বন্ধু

দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।