• আজঃ বুধবার, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালী, ফ্রান্স প্রতিদিন গড়ে ৫০০ শতাধিক উপরে মানুষ মারা যাচ্ছে

যন্ত্রনা, কষ্টকর, হতাশা ও বিষাদময় হলেও আমাদেরকে বাসায় থাকতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালী, ফ্রান্স যে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ শতাধিক উপরে মানুষ মারা যাচ্ছে, তার বড় কারণ করোনার কমিউনিটি ট্রান্সমিশন।

আমাদের জনগন ব্যাপারটাকে গুরুত্বই দিচ্ছে না। রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, পাবলিক প্লেস সবখানে মানুষের সমাগম। কেন এই জনসমাগম বিষয়টি ঐ সকল জনগন কি বুঝতে পারছে না??
করোনা কী যে ভয়ানক ছোঁয়াছে ভাইরাস, এটা কি জনগন জানে না!!!

জনগন এখনও বিশ্বে করোনার তান্ডব উপলদ্ধি করতে পারছে না!!!

শুধু প্রশাসন আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনকে এগিয়ে আসলে চলবে না; স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সুশীলদেরকে এ কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতার মন নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। দূর্যোগের সময় সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। বরাদ্দ আসলেই আমার লোকজনকে দিতে হবে এই মন-মানসিকতা দূর করতে হবে।

করোনার এই দূর্যোগ সকলের। ধর্মীয় গোড়ামী দূর করতে হবে। ভারত ও মালয়শিয়ায় তাবলিগ করোনা ভাইরাস বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। যেমন রেখেছে চীনের উহানে বন্য পশুর বাজার ও দক্ষিন কোরিয়ার গির্জা। জাপানের প্রমোদতরী আর ইরানের মাজার!!! অষ্ট্রিয়ার বার আর ইতালী, নিউইয়র্কের উদাসীনতা।

হে আল্লাহ, আমাদের সাধারন জনগনকে করোনা ভাইরাসের ক্ষতিকর প্রভাবকে বোঝার ক্ষমতা দান কর।

স্থানীয় প্রশাসনের সাথে জনপ্রতিনিধি আর সুশীলরা যদি এগিয়ে আসে তাহলে এ দূর্যোগের হাত থেকে সমগ্র বাংলাদেশ রক্ষা পাবে।

সময় থাকতে কাজ করতে হবে। তা না হলে ট্রাম্পের মত বলতে হবে নিহতের সংখ্যা ১-২ লক্ষের মধ্যে আনাই হবে আমাদের সফলতা!!

সাধারন জনগনকে স্মরণ রাখতে হবে, বাংলাদেশে কিন্ত উন্নত দেশের মত চিকিৎসা ব্যবস্থা নাই।

তাই আমরা যেন ঘরে থেকে আমাদের দায়িত্ব পালন করি।
জনসমাগম এড়িয়ে চলি।