• আজঃ সোমবার, ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

প্রতারণার স্বীকার প্রবাসী বাংলাদেশিরা

এক কথায় সিঙ্গাপুর একটি নিরাপদ নগরী ,এখানে অপরাধ করে পার পাওয়া খুবই কঠিন।

ইদানিং একটা মহল প্রবাসীদের দিয়ে অবৈধ ভাবে
স্বর্ণ ও মোবাইল পাঠায় দেশে। বিনিময়ে দেশ ফেরত প্রবাসীকে দেওয়া হয় কিছু টাকা।এই কাজের প্রধান টার্গেট থাকে একবারে কিংবা ছুটিতে দেশে যাওয়া প্রবাসীরা ।

এই কাজটি করে থাকে মূলত অবৈধ হুন্ডি ব্যাবসায়ীরা কিছু প্রবাসীদের দিয়ে, যারা সিঙ্গাপুর কর্মরত আছে , হুন্ডি ব্যাবসায়ীরা থাকে পর্দার আড়ালে ! বহু প্রবাসী কিছু বাড়তি টাকা উপার্জন করতে গিয়ে জড়িয়ে পড়ছে এই অবৈধ কাজে !! যা সৌদি আরবে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত।

কোন প্রবাসীকে এই অবৈধ কাজে ধরতে পারলে সিঙ্গাপুরের শ্রম মন্ত্রণালয় তার ওয়ার্ক পারমিট প্রতাহার করে দেশে পাঠিয়ে দেয়!

এতে করে ক্ষতির সম্মুখীন হয় সাধারণ প্রবাসীরা , অবৈধ ব্যবসায়ীরা থেকে যায় পর্দার অন্তরালে।

কিছু টাকার লোভে স্বর্ণ ও মোবাইল বহন কারি ,দেশ ফেরত প্রবাসীরাও ফেসে যেতে পারেন অবৈধ কাজের জন্য।

সাম্প্রতিক কালের একটি ঘটনা :-
এক পরিচিত প্রবাসী বাড়তি কিছু টাকার জন্য এমন অবৈধ কাজে জড়িয়ে পরে , পরে দেশে চলে যায়, কয়েক মাস পর আবার অন্য কোম্পানিতে আসে, কোম্পানিতে দীর্ঘ ১০ মাস কাজ করার পর হঠাৎ কোম্পানিতে চিঠি আসে সিঙ্গাপুরের Ministry of Manpower থেকে , বিগত বছর সে সিঙ্গাপুরে ইলিগ্যাল কাজে জড়িত ছিলো,তাকে আগামী নির্দিষ্ট একটি তারিখের আগে দেশে পাঠাতে হবে ।

কারণ যখন সে ওই কাজে জড়িত ছিলো তখন তাকে পুলিশ ধরেছিলো, এবং ওয়ারনিং লেটার দিয়েছিলো।

যার জন্য দীর্ঘ ১০ মাস পর সিঙ্গাপুর থেকে দেশে
পাঠিয়ে দেওয়া হলো।একটু লোভ এর জন্য তাকে চলে যেতে হলো।কিন্তু মূল অপরাধী পর্দার আড়ালে রয়ে গেলো।

এই চক্রের বিস্তার —(১).মূল অবৈধ ব্যাবসায়ী (২). টাকার বিনিময়ে খুঁজে বেড়ায় কারা দেশে যাবে (৩).
ছুটিতে কিংবা একেবারে যারা দেশে যায় , তারাই বহন করে। এই চক্রের মাধ্যমে তারা অবৈধ কাজ করে ।

একটি প্রবাদ আছে
‘‘লোভে পাপ
পাপে মৃত্যু‘‘

তাই সকল প্রবাসীকে এসকল অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ রইলো।

মুহাম্মদ সাজিদ