• আজঃ রবিবার, ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মহাকাশ মিশন

বিরূপ আবহাওয়ার কারণে পিছিয়েছে মঙ্গলগ্রহে যাত্রা, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে আগামী ১৭ জুলাই, ২০২০ আন্তঃগ্রহ মিশনে যোগ দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এটি হবে প্রথম আরব বিশ্বের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক!

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মহাকাশ মিশন, তথা আরব বিশ্বের প্রথম আন্তঃগ্রহ মিশন, জুলাই ১৭, ২০২০ শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাত সময় রাত ১২ঃ৪৩ টায় জাপানের টানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে ইমারতি নভোচারীরা যাত্রা শুরু করবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ইউনিয়নের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে রচিত হবে মহাকাব্য, প্রায় ৪২৩,৫০০,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আগামী সাত মাসের মধ্যে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে। আরব বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চলছে # ফার্স্ট এরাবিক কাউন্টডাউন! পুরো আরব বিশ্বের আশা ও আকাঙ্ক্ষার হবে প্রতিফলন।

দেশটির প্রথম দুই নভোচারী এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন,
“এই মিশনটি সম্পর্কে সত্যিই উচ্ছ্বসিত এবং শিহরিত। এটি আমাদের দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক,” গত বছরের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) যাওয়ার প্রথম আরব বিশ্বের ইতিহাস গড়ার কথা বলেছিলেন।

আলমানসুরির ব্যাকআপ নভোচারী সুলতান আলনেয়াদি বলেছেন,
এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা! “আমরা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি, এবং এখন মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছি। এগুলি তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। এটি ভবিষ্যত প্রজন্মকে চাঁদ এমনকি মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার স্বপ্ন দেখার অধিকার দেয়।”

কেন মঙ্গল গ্রন্থ অধ্যয়ন গুরুত্বপূর্ণ_
আলনেয়াদি বলেছেন যে, মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডল অধ্যয়ন করার ফলে মানুষ পৃথিবীকে আরও ভালভাবে বুঝতে সহায়তা করবে। ” একটি দৃঢ় বিশ্বাস আছে যে মঙ্গল গ্রহ একসময় পৃথিবীর ন্যায় ছিল। এতে পর্বতমালা, মহাসাগর এবং নদী ছিল। মঙ্গল গ্রহে কী ঘটেছিল তা বুঝতে পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যা মোকাবেলায় সহায়তা করবে।”


তথসূত্রঃ স্থানীয় শীর্ষ দৈনিক পত্রিকা,
সংযুক্ত আরব আমিরাত।