• আজঃ বুধবার, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

ক্ষূদ্র-নূ গোষ্ঠীর ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন ফারুক চৌধুরী এমপি

রাজশাহীর তানোরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের  বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত) শীর্ষক কর্মসূচির সহায়তায় ২০-১৯-২০২০ দু’বছরের সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা।

চলতি মাসের ১২আগস্ট সকাল ১১ ঘটিকায় মুন্ডুমালা উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে আদিবাসী ছাত্র – ছাত্রীদের মাঝে এসব শিক্ষা বৃত্তি উপকরণ বিতরণ করেন রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী)আসনের কৃতি সন্তান সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও সুশান্ত কুমার মাহাতো, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খান, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, মুন্ডুমালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামিল মার্ডি।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ হাসান, সৈনিক লীগের সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান নয়ন,উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন শাওন, কলমা ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সভাপতি মুর্শেদুল মোমিন রিয়াদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এ-সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, তানোরে যেভাবে দিনের পর দিন শিক্ষার হার বেড়েছে তাতে আগামীতে তানোরের ছেলে-মেয়েরা হয়ে উঠবে বড় বড় অফিসার কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। কিন্তু তারা সুশিক্ষিত হয়ে তানোরের মুখ উজ্জ্বল করুক তা কিছু আওয়ামী লীগ বিরোধী অসাধু কুচক্রী মহল সিন্ডিকেট চাই না।

তা না হলে মুন্ডুমালা উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করার জন্য মুন্ডুমালারই কিছু শতবর্ষের উপাধি তোলা রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান গোলাম রাব্বানী চায়নি। সে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করার জন্য আমার কছে সুপারিশ করেছিল। পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ না করলে তার বিশাল ক্ষতি হয়ে যাবে।

আমি তাকে বলেছিলাম কেনো তোমার ক্ষতি হবে তখন রাব্বানী আমার হাত ধরে বলেছিল চাচা আমি পাইলট কে জাতীয়করণ করার জন্য অনেক টাকা পয়শা নিয়ে ফেলেছি। যা আমি মেনে নিতে পারিনি। তাই আমি নিজে অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য মুন্ডুমালা উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করার জন্য সুপারিশ করেছিলাম।

তাহলে আপনারই বলুন সে নাকি শতবর্ষের রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আসলে গায়ে মানে না তিনিই মোড়ল। তারা কোনো রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান না, তারা বেঈবান পরিবারের কুলাঙ্গার সন্তান। যারা শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করতে চাই তাদের তানোরের মাটিতে কোনো জায়গা নেয়।

আর আগামীতে জায়গা হবেও না বলে তিনি আরো বলেন, যতই বিএনপি জামাতের সাথে হাত মিলিয়ে আওয়ামী লীগ বিরোধী ষড়যন্ত্র করুক কোনো লাভ নেই। এদের সাধারণ মানুষ বুঝে গেছে কোন সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়।

তাই আওয়ামী লীগ বিরোধী সিন্ডিকেট তৈরি করে কোনো ষড়যন্ত্র করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্য দোয়া চেয়ে আওয়ামী লীগের সাথে থাকার জন্য সবাইকে আহবান জানান।