• আজঃ বুধবার, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

গাইবান্ধা জেলার দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ ঘোষণা

 

আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন(গাইবান্ধা) প্রতিনিধি-


কোভিড উনিশ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের দেয়া ব্যবসায়ীক শর্ত ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সামাজিক দুরত্ব না মানায় ১৮ মে সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলার সব ধরনের কাপড়ের দোকান, তৈরী পোশাকের দোকান,
কসসেটিকস্ ও জুতার দোকানসহ সকল ধরনের মার্কেট বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।

আজ ১৮ মে সোমবার গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।

উক্ত গণবিজ্ঞপ্তিতে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও কোভিড উনিশ করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন উল্লেখ করেছেন, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত ১০ মে থেকে দোকানপাট,ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ও বাজার যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত শর্তসমূহ পালন সাপেক্ষে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো।

কিন্তু গত কয়েকদিনে দোকানপাট বিশেষ করে কাপড়ের দোকান, তৈরী পোশাকের দোকান,কসসেটিকস্ ও জুতার দোকানসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়,এসকল প্রতিষ্ঠানে আগত সকল ক্রেতা বিক্রেতা সরকার প্রদত্ত শর্ত মেনে চলার বিষয়ে সম্পূর্ণ অবহেলা প্রদর্শন করেছেন।

এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে ব্যাপক বিস্তারের ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। জনসাধারণ তথা গাইবান্ধা জেলাবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষে আজ ১৮ মার্চ সোমবার অনুষ্ঠিত জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় কমিটির,সদস্য,ব্যাবসায়ী,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ব্যাবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনাক্রমে আজ ১৮মে বিকাল ৪টা থেকে জেলার সব ধরনের কাপড়ের দোকান, তৈরী পোশাকের দোকান,কসসেটিকস্ ও জুতার দোকান সহ সকল মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

জেলা কমিটি সভা

 

জনসাধারণের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণে পূর্ব জারিকৃত সকল আদেশ এবং পরবর্তি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে।

আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, অন্য দিক গাইবান্ধার সকল কাপড়,তৈরী পোশাক, ও জুতার দোকানপাট, মার্কেট ও বিভিন্ন বিপনীবিতান বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে সোমবার সন্ধায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের বাস ভবনের সামনে বিক্ষোভ করতেছেন স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা।