• আজঃ বুধবার, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

২০০ ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশে করোনা রোগীর সংখ্যা

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ সময় তিনজনের মৃতু্য হয়েছে। এ নিয়ে ৮ মার্চের পর থেকে ভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা ডাবল সেঞ্চুরি তথা ২০০ (২১৮ জন) ছাড়িয়ে গেল।

এ ছাড়া নতুন করে তিন ব্যক্তি মারা যাওয়ায় মৃতের সংখ্যা ২০ জন হলো। গতকাল দুপুর ২-৩০টায় মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ভবনে করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত অনলাইন হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য উপস্থাপন করে ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইইডিসিআরে ৫৬৩টি এবং দেশের অন্যান্য ল্যাবরেটরিতে ৪২৫টি মিলিয়ে মোট ৯৮৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে পিসিআর মেশিনে ৯৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

নিবির পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ৫৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হয়। যাদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং ২১ জন নারী রয়েছে। ফলে দেশে ভাইরাসটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

পাশাপাশি আরও তিনজন মারা যাওয়ায় মৃতের সংখ্যা ২০ জন হয়েছে। তবে গত দুইদিনের ধারাবাহিকতায় বুধবার নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ৩৩ জনেই থেমে আছে। বাকি সাতজনের পরীক্ষার ফল পরে জানানো হবে।

অনলাইন ব্রিফিংয়ে বলা হয়, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১১-২০ বছর বয়সী পাঁচজন, ২১-৩০ বছর বয়সী ১৫ জন, ৩১-৪০ বছর বয়সী ১০ জন, ৪১-৫০ বছর বয়সী সাতজন, ৫১-৬০ বছর বয়সী সাতজন এবং ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি রয়েছেন ১০ জন।

তবে আক্রান্ত ৫৪ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৩৯ জন। প্রসঙ্গত, চীনে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি দেশে সংক্রমণ স্তরের চতুর্থ স্তরে পৌঁছেছে।

তবে এটি প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়ে সারাদেশে কয়েক স্তরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে।