• আজঃ মঙ্গলবার, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

বাংলাদেশি রুহুল আমিনের লাশ পাকিস্তানে দায় কার ?

মৃত দেহ আসার কথা ছিল বাংলাদেশে কিন্তু চলে গেছে পাকিস্তানে । দাপন ও হয় সেখানে । কুমিল্লার রুহুল আমিনের মৃতদেহ নিয়ে ঘটেছে এমন্ ঘটন্না ।সৌদি আরবের  কিং ফয়সাল হাসপাতাল কে দুসছেন বাংলাদেশ দূতাবাস ।

গেলো চার দশকে ভাগ্য ফেরাতে জত মানুষ বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন তার তিন ভাগের এক ভাগর গন্তব্যই সৌদি আরব । দুই বছর আগে দুই ছেলে আর স্ত্রীকে রেখে সৌদি আরবে পাড়ি জমান কুমিল্লার মীরকাশিম পুরের বাসিন্দা রুহুল আমিন ।

গেলো ১৬ ই ডিসেম্বর মস্তিস্কের রক্তক্ষরনে কিং ফয়সাল হাসপাতালে মারা যান রুহুল আমিন । নিয়ম অনুযায়ী লাশ দেশে আনতে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সব প্রক্রিয়া ও শেস করা হয় । ঠিক হয় দিন তারিখ ও কিন্তু রুহুল আমিনের লাস চলে যায় পাকিস্তানে । দাপন ও করা হয়েছে সেখানে ।

রুহুল আমিনের স্ত্রীর আকুতি , রুহুলের চেহারা শেস বারের জন্য দেখার ইচ্ছে ছিল সেটা ও দেখতে পারলাম না । এখন আমি আমার সন্তানদের নিয়ে কিভাবে বেঁচে থাকবো ।

রুহুল আমিন জীবনে অনেক কস্ট করেছেন পরিবার কে সুখে রাখতে । দেশে অটো চালিয়েছেন, দোকান্ চালিয়েছেন কিন্তু কোথাও তিনি সফল হতে পারেন নি । আর তাই অবশেসে পাড়ি জমিয়েছেন সৌদি আরবে ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের দাবি তাদের কোন গাফিলতি নেই । এই ভুলের দায় ভার কিং ফয়সাল হাসপাতালের উপর ।

সৌদি দূতাবাস , শ্রম কাউন্সিল আমিনুল ইসলাম বলেন , আমরা সরাসরি হাসপাতাল কত্রিপক্ষ কেই দায়ী করতে চাচ্ছি । রুহুল আমিন যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছেড়েছেন , তার সে স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে । পরিবার পড়েছে অনিশ্চয়তায়।

রুহুল আমিনের ভাই বলেন রুহুল আমিনের মৃত্যুতে তার পরিবার এখন নিঃস্ব হয়ে গেছে । সরকার যদি এই পরিবারটির প্রতি একটু দৃষ্টিপাত করেন , এ জন্য তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ।

সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস ও চায়্ বিষয়টি সমাধানের । এই জন্য সব রকম সহায়তা করতে ও প্রস্তুত তারা ।

অভিবাসন বিশেসজ্ঞদের মতে কাজের চাপ সহ নানা কারনে প্রতি বছর বাড়ছে প্রবাসিদের মৃত্যুর হার । গত চার বছরে হৃদ রোগ মস্তিস্ক রক্তক্ষরন্ ও দুর্ঘটনায় সৌদি আরব থেকে চার হাজার এর ও বেশি লাস দেশে নেয়া হয়েছে ।