• আজঃ শুক্রবার, ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

৪২ মেট্রিকটন পেঁয়াজ মওজুদ, বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ

নেত্রকোণায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। জেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নেত্রকোণা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও জেলা বাজার কর্মকর্তা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে গত ১৪ ই সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পর দেশীয় বাজারে হঠাৎ করে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পেতে থাকে, ফলে দিশেহারা হয়ে পড়ে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। এমন দাম বাড়ায় আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পেঁয়াজ কেনার হিড়িক পড়ে যায় তাদের মাঝে।

নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক কাজি মো:আব্দুর রহমান জানান, বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাজার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তাদের বাজার মনিটরিং এর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নেত্রকোনা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে।

এদিকে নেত্রকোণা জেলা বাজার কর্মকর্তা আজমল হোসেন জানান, বর্তমানে নেত্রকোণা সদর পাইকারি আড়ৎ এ ৩২.৯৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে। সদরে আরো যুক্ত হচ্ছে ১০ মেট্রিক টন।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক শাহ আলম জানান, ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। ক্রেতাদের অতিরিক্ত পণ্য কিনতে নিরুৎসাহিত করতে আপনারা কি পদক্ষেপ নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে, তিনি বলেন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা সময় হ্যান্ড মাইকিংএর মাধ্যমে তাদেরকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য কিনে মজুদ না করার অনুরোধ করা হয়।

স্থানীয় মওজুদের পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার আগের ২হাজার টন পেঁয়াজ বাংলাদেশকে দেয়ার অনুমতি দিয়েছে ভারত। এতেই পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কম এসেছে।

বর্তমানে নেত্রকোনায় এলসিকৃত পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬৫/৭০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আমরা আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কমে যাবে।