• আজঃ শুক্রবার, ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

যুগের পরিবর্তন ঘটে বাংলাদেশ ডিজিটাল যুগে পরিনত হলেও এখনো ওরা সাদা-কালো

যুগের পরিবর্তন ঘটলেও ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন বাসীর। যোগাযোগের ব্যবস্থা তো দূরের কথা এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি এ ইউনিয়নে।

এখানে বিদ্যুৎ হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সৌর বিদ্যুৎ ও জেনারেটর। চলতি মাসের ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সরেজমিনে ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায় এমন বিরল ঘটনা। ইউনিয়ন বাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, এখানে সৌর বিদ্যুৎ ও জেনেরেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সেই বিদ্যুৎ ৩০ টাকা ইউনিট হিসাবে ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিক্রি করা হচ্ছে ।

এতে করে যার সামর্থ্য আছে সে ৩০টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ কিনে চালাচ্ছেন। আর যার সামর্থ্য নাই সে হারিকেন বাতি জ্বালিয়ে ঘর আলোকিত করে রয়েছেন।

অন্যদিকে ইউনিয়নের মূল প্রবেশের ভয়ংকর রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় ইউনিয়ন বাসীকে। গোদাগাড়ীর পদ্মা নদী পেরিয়ে এক প্রান্তে এই ইউনিয়নটি হওয়ায় তেমন যোগাযোগের ব্যবস্থা ও ইউনিয়নে নেই গর্ভবতী নারীর সন্তান প্রসবের তেমন হাসপাতালের ব্যবস্থা নেই লেখা পড়াশোনার জন্য কলেজ।

যার জন্য ডিজিটাল যুগে এখনো সুচিকিৎসার কোন ব্যবস্থা না থাকায় অনেক মহিলাকে চিকিৎসা হীন অকালে জীবন দিতে হচ্ছে।এমনকি একটি কলেজ না থাকায় সুশিক্ষিত হয়ে উঠা হচ্ছে না অনেক ছেলে মেয়ের। চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ বলেন, এ ইউনিয়ন বিগত সরকারের আমলে একেবারেই চলাচলের অযোগ্য ছিল।

তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তানোর-গোদাগাড়ী আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রচেষ্টায় ইউনিয়ন বাসীর কিছুটা হলেও যোগাযোগের ব্যবস্থা ও লেখা পড়া করার উপযোগী স্কুল তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়াও বিদ্যুৎ দেয়ার জন্য সবকিছু চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য বিদ্যুৎ আনার পক্রিয়া বন্ধ হয়ে রয়েছে, যদি করোনা ভাইরাস দেখা না দিত তাহলে এতদিনে ইউনিয়নে বিদ্যুৎ পৌঁছে যেতো বলে জানান তিনি।