• আজঃ রবিবার, ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

নড়াইল কোরবানির হাট ওয়েবসাইটের একি হাল !

ফরহাদ খান, নড়াইল:


করোনা সংকটের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে ‘নড়াইল কোরবানির হাট’ নামে মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করা হলেও নানা অসঙ্গতি রয়েছে। নড়াইল কোরবানির হাট (link) ওয়েবসাইট ভিজিট করলে সহজেই তা চোখে পড়বে।

এখানে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপির নামের বানান ভুল ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই ওয়েবসাইটে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা লেখা হয়েছে-‘আজমুমান আরা’ এবং প্রতিমন্ত্রীর নাম লেখা হয়েছে-‘জুনায়েড আহমেদ পলক’। এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া প্রতিমন্ত্রী, ক্রীড়াবিদ, ভূমি, ব্যবস্থা, উদ্যোক্তা, তরুণসহ বেশ কয়েকটি বানান ভুল ভাবে ওয়েবসাইটে লেখা হয়েছে। গত ১০ জুলাই বিকেলে ভিডিওকনফারেন্সের মাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি ‘নড়াইল কোরবানির হাট’ মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করেন। আজ (শনিবার) পর্যন্ত এই ওয়েবসাইটে অসংখ্য ভুলই দেখতে পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসন ও নড়াইল ভলান্টিয়ার্স এই ওয়েবসাইটি বাস্তবায়ন করেছে।

এদিকে, অনলাইনে কেনাবেচার চেয়ে কোরবানির পশুহাটে ক্রেতা-বিক্রেতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সদরের নাকসী মাদরাসা, মাইজপাড়া, কালিয়ার পহরডাঙ্গাসহ বিভিন্ন পশুহাটে এমন চিত্র দেখা গেছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, অনলাইন পদ্ধতিতে গরু-ছাগল বেচাকেনা করে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না। কারণ, এ পদ্ধতিতে আকার, আকৃতি, সুস্থতাসহ বিভিন্ন বিষয় স্বচোক্ষে দেখা যায় না।

কোরবানির পশু সরাসরি দেখেশুনে কেনার অনুভূতিটাই অন্যরকম। তবুও করোনাকালে স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে কেউ কেউ ঝুঁকছেন অনলাইনের দিকে। এ বছর নড়াইলে কোরবানির জন্য ২৯ হাজার ৫৩২টি হাজার গরু ও ছাগল প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ হাজার ৮০১টি গরু এবং ১০ হাজার ৭৩১টি ছাগল ও ভেড়া রয়েছে। এবার কোরবানির ঈদে জেলায় ২৪ হাজার ৫০০ পশুর চাহিদা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মারুফ হাসান।