• আজঃ মঙ্গলবার, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

কে এই বিমান কুমার রায়

করোনার ক্রান্তিলগ্নে পৃথিবী যখন আলোর ঠিকানা হারিয়ে আঁধারে দন্ডায়মান ঠিক তখন ” সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই” কবিতাটির যথার্থতা প্রমান করলেন বিমান কুমার রায়।

এই করোনাকালীন সময়ে পুরো বিশ্ব স্হবির। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেক মানুষ। অসহায় অবস্থায় দিনযাপন করছে পৃথিবীর অনেক মানুষ। কেউ মুখ ফুটে বলতে পারছে আর কেউ কাঁদছে বোবা কান্না। যেন করোনা তাদের আসল আসল রুপ ফুটিয়ে তুলেছে।

এরুপ বাংলাদেশেও একই চিত্র। উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশকে উন্নীত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় করোনার হানা সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিল। করোনার থাবা দেশকে স্হবির করে রাখল। উপায় না দেখে পুরো দেশকে রাখতে হলো লকডাউন নামক এক ভয়ঙ্কর বিপদে।

লকডাউন দেওয়াতে দেশের অনেক মানুষ বেকার হয়ে পড়ল। ভ্যান-রিক্সা চালক, চায়ের দোকানদার, ছোট ছোট রাস্তার হকার, ছোট মার্কেট, বাস,ট্রাক, টেম্পু, অটো, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তরা। ভয়ানক এক বিপদে পড়ল তারা। বাংলাদেশের অনেক মানুষের কোন সঞ্চয় রাখে না। নিয়মিত উপার্জনের চলে।

দেশ লকডাউনে যাওয়াতে অসহায়ের পাশে সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসা উচিত ছিল কিন্তু এই মহামারী করোনা যেন মানুষকে বুঝতে শিখয়েছে “যার যা আছে তাই নিয়ে ঘরে ঢুকে যাও” করছেও তাই এ দেশের অনেক বিত্তশালী। এ যেন এক করুন কাহিনি।

কিন্তু কিছু মানুষ একেবার চুপ করে বসে থাকতে পারেনি। এগিয়ে এসেছে মানব সেবা করার জন্য। তাঁদের মধ্যে একজন তিনি নওগাঁ যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিমান কুমার রায়। করোনা মহামারিতে দেশ যখন লকডাউনে তখন থেকে আজ অবধি তিনি মানুষের পাশে রয়েছেন।

তিনি প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের পাশে থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় একলক্ষ মানুষকে ব্যক্তিগতভাবে চাল, ডাল, তেল, শাকসবজি থেকে শুরু করে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ রোধের জন্য মাস্কসহ হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন।

কবি নির্মেলুন্দু গুন তাঁর কবিতায় বলেছেন,
করিতে পারি না কোন কাজ,
সদা ভয় সদা লাজ,
সংশয়ে সংকল্প সদা টলে,
পিছু লোকে কিছু বল।

বিমান কুমার রায় ছোট থেকে রাজনীতি করে এতদূর পর্যন্ত এসেছে শুধুমাত্র দৃঢ় মনোবলের কারনে, তাই কবি নির্মলেন্দু গুনের কবিতার কিছু লাইন সংশোধন করে যদি লিখা হয়-

করিতে পারি যে কোন কাজ,
নাহি ভয় নাহি লাজ,
সংশয়ে সংকল্প নাহি টলে,
পিছু লোকে যাই বলে।

সত্যিসত্যিই বিমান কুমার রায় জনগনের সেবা করে যাচ্ছেন। তিনি কখনো সেবা করার জন্য পিছু হটেন নি। জনগনকে এগিয়ে যেতে চান অনেকদূর। শুধু তাই নয় বিমান কুমার রায় একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী হওয়ার পরও পবিত্র রমজানের সময় তিনি মাদ্রাসার বাচ্চাদের জন্য নিয়মিত ইফতারের আয়োজন করেছেন।

বিমান কুমার রায়কে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিমান কুমার রায় বলেন, আমি সারা জীবন জনগণের সেবা করে যেতে চাই, তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যেখানে কাজ করানোর যোগ্য মনে করবেন আমি বিমান কুমার রায় নেত্রীর আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।