• আজঃ শনিবার, ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

জাতিসংঘের ডাব্লিউএসআইএস পুরস্কার পেল বিসিসি

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি (ডাব্লিউএসআইএস) পুরস্কার-২০২০’ অর্জন করেছে বাংলাদেশ সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল।

নবম বার্ষিক পুরস্কারের এই আয়োজনে ই-এমপ্লয়মেন্ট ক্যাটাগরিতে বিসিসির আওতায় বিজিডি ইগভ সিআইআটির সক্ষমতা বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্পের বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার (বিএনডিএ) টিম তাদের ই-রিক্রুটমেন্ট প্ল্যাটফর্ম (erecruitment.bcc.gov.bd) নিয়ে এই অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।

সোমবার অনলাইনে অনুষ্ঠিত ‘ডাব্লিউএসআইএস ফোরাম ২০২০ প্রাইজেস অ্যাওয়ার্ড সিরেমনি’ অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়নের (আইটিইউ) মহাসচিব হাওলিন ঝাও এই ঘোষণা দেন।ৱ

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউএন এসকেপ এর এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি আর্মিদা সালসিয়া আলিসজাবানা, আইটিইউ থেকে ক্যাটালিন ম্যারিনেসক, ডমিনিক্যান রিপাবলিকের অ্যাম্বাসেডর ক্যাটরিনা ন্যট, ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি জেনারেল ফ্যাং লিউ সহ আরো অনেকে। পুরস্কার অর্জন করায় তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিসিসিকে অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড-২০২০ এর এই অ্যাওয়ার্ডটি ভবিষ্যতে আরোও বিভিন্ন সফল উদ্যোগ নিতে সকলকে অনুপ্রাণিত করবে।

বিসিসির এই অর্জন সত্যিই প্রশংসনীয় বলে অভিনন্দন জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম।

অর্জনের বিষয়ে বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব বলেন, এই আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে নিরলস চেষ্টা করছে। এরই একটি সফলতার নিদর্শন হল এই পুরস্কার।

বিশ্বের শতাধিক দেশ থেকে প্রাপ্ত আবেদনের থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বাছাই ও অনলাইন ভোটিং প্রক্রিয়ার শেষে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। মোট ১৮টি ক্যাটাগরিতে আবেদন গ্রহণ করা হয় যেখানে মোট ৭৬২ সাবমিশন থেকে ৩৫৪টি প্রকল্পকে নমিনেশন দেওয়া হয়।

শেষে প্রতি ক্যাটাগরিতে ৪টি করে মোট ৭২টি প্রকল্পকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবং সেরা প্রকল্প হিসেবে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে একটি করে মোট ১৮টি প্রকল্পকে চূড়ান্ত বিজয়ী (উইনার) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ই-এমপ্লয়মেন্ট ক্যাটেগরিতে ফিলিপাইনস্, সৌদিআরব, ইসরাইল ও বাংলাদেশ নমিনেশন পায় এবং বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয়ী হয়।