• আজঃ রবিবার, ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

নার্সিং অনেক বড় একটা প্লাটফর্ম, চলুন পরিবর্তনে হাঁটি

পারভিন আক্তারঃ


আমার মনে হয় আমাদের এখনও দুরদর্শিতার অভাব রয়েছে। আমদের বেশিরভাগের ই টার্গেট হচ্ছে উচ্চ শিক্ষা শেষ করেই শিক্ষকতায় চলে যাব। আর এই কারনেই নিপসম এরা মনে করে আমরা কেন পেছনে থাকব,নিয়ানার মনে করে আমরা কেন পেছনে থাকব? কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো ?

আমি ১৩ বছর ধরে নিউনেট আর পিডিয়াট্রিক্স এ ডিওটি করি আর এই বিষয়ে মাষ্টার্স করছি, অর্থাৎ আমি এই বিষয়ে স্পেশালিষ্ট নার্স হতে চাই, তাহলে ক্লিনিক্যালি কোন পদ সৃষ্টি প্রয়োজন নাই? সবাই খালি শিক্ষা দিতে চাই,কিন্তু সব টিচার যে সব সময় উপকারে আসে এমনটা কিন্তু না। অথবা ধরেন, সরকার মনে করল যে স্পেসিফিক সাবজেক্টে স্পেসিফিক টিচার নিয়োগ দিবে সে ক্ষেত্রে আমার সাথে পাবলিক হেলথ কি করে এক্সাম দিতে যাবে, আবার আমি কি করে পাবলিক হেলথে এক্সাম দিব?
তাছাড়া প্রতিটা সেক্টরে স্পেশালাইজেশন প্রয়োজন সাথে ভিন্ন ভিন্ন পদ দরকার, শুধু কি টিচিং দিয়ে সব সম্ভব?

এখন সময় ক্লিনিক্যালি অনেক উন্নত করনের। এই টিচিং টিচিং কেরিয়ার আর কত দিন? আরও ভাবুন, চিন্তার বিকাশ ঘটান। নার্সিং অনেক বড় একটা প্লাটফর্ম, টিচিং গন্ডি মধ্যেই আটকে থাকলে হবে না। আর এই গন্ডি মধ্যে থাকতে চাইলে পাড়াপাড়ি করেন।

সবাই যদি টিচার হয় তাহলে নার্স ম্যানেজার , নার্স এনেছেথিওলজিষ্ট, নার্স রিসার্চার, রিসার্চ এসোসিয়েট, স্পেশালিষ্ট নার্স যেমন সাইকিয়াট্রিক নার্স, কার্ডিয়াক নার্স ইত্যাদি কে হবে ? সারাজীবন কি এই সিনিয়র স্টাফ নার্স আর সুপারভাইজার,আর সুপারিন্টেন্ডেন্ট তিন পদ নিয়ে চলব? নাকি দেশ উন্নত হচ্ছে, ডিজিএনএম ডিজিটাল হচ্ছে, আমরাও এই তিন আর টিচার থেকে বের হব। আর টিচার সবাই হতে পারে না। অনেক ক্লাস থাকে আনন্দ নিয়ে উপভোগ করেন, আবার কিছু ক্লাস থাকে মনে হয় কখন টিচার রুম থেকে বের হবে। তাই আমার মতে প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে টিচারদের রেটিং থাকা দরকার এবং  স্টুডেন্ট  স্বাধীনতা দরকার। তাহলে নার্সিং স্টুডেন্টদের অনেক উপকারে আসবে।

“ভালো থাকেন, ভালো রাখেন সবাই।
ভুল এুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।


পারভিন আক্তার 
সিনিয়র স্টাফ নার্স 
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ এন্ড মিটফোর্ড হসপিটাল