• আজঃ বুধবার, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

আমেল মঞ্জিল,সায়াক খাস ও হুরুবপ্রাপ্ত ব্যক্তি দেশে ফিরতে হলে করণীয়

হুরুবপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দেশে ফিরতে হলে করণীয়

১-দূতাবাস ( শ্রমকল্যাণ উইং / সফররত টিম ) হতে বিনামূল্যে

  • দূতাবাসের সুপারিশপত্র এবং|
  • জাওয়াযাতের ফরম – এই দুইটি পেপার সংগ্রহ করতে হবে ।

২-উপরের দুইটি পেপারের সাথে

  • পাসপাের্ট ( যদি থাকে ) – এর একটি ফটোকপি ও
  • ইকামার ফটোকপি সংযুক্ত করে এই চারটি কাগজ মিলিয়ে একত্রে একটি ফাইল তৈরি করে নিতে হবে ।

৩-যত দ্রুত সম্ভব উক্ত ফাইলটি যে কোন দিন ( সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত ) রিয়াদ শহরের আজিজিয়াহ , ইসকান – ১ , নতুন সফরজেল – এ ( ভীড় এড়ানাের জন্য সম্ভব হলে সকাল ৭টার পূর্বে উপস্থিত হয়ে ) জমা দিয়ে সেখান থেকে একজিট পেপার ( বয়ানুস সফর ) সংগ্রহ করতে হবে ( রিয়াদের বাথা হতে বাসযােগে আজিজিয়াহ সফরজেলে যাতায়াত ব্যবস্থা রয়েছে ।

৪-আজিজিয়াহ সফরজেলে উপরােল্লিখিত ফাইলটি জমা দেয়ার সময় বাধ্যতামূলকভাবে সফরজেল কর্তৃপক্ষের নিকট মূল ইকামা প্রদর্শন করে একজিট পেপার ( বয়ানুস সফর ) সংগ্রহ করতে হবে । মূল ইকামা না দেখাতে পারলে সফরজেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ধার্যকৃত গারামা / জরিমানা ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশােধ করে একজিট পেপার ( বয়ানুস সফর ) সংগ্রহ করতে হবে। যারা হুদুদ নম্বর ( বর্ডার এন্ট্রি নম্বর ) এর উপর হুরুব প্রাপ্ত হয়েছেন এবং ইকামা হয়নি তাদের জন্য ইকামা দেখানাে বাধ্যতামূলক নয় ।

৫-ফাইনাল একজিট ভিসা পাওয়ার পর করণীয়

৫-ক-যাদের মূল পাসপাের্ট আছে

  • পাসপাের্টের মেয়াদ থাকলে দ্রুত নিজ খরচে বিমান টিকেট সংগ্রহ করে সৌদি আরব ত্যাগ করতে হবে ।
  • পাসপাের্টের মেয়াদ না থাকলে প্রযােজ্য ফি পরিশােধ করে দূতাবাস হতে পাসপাের্টের মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে হবে । মেয়াদ বাড়ানোর ফি এক বছরের জন্য ৫০ রিয়াল , দুই বছরের জন্য ১০০ রিয়াল , তিন বছরের জন্য ১৫০ রিয়াল । পাসপোর্টের মেয়াদ বৃদ্ধির পর দ্রুত নিজ খরচে বিমান টিকেট সংগ্রহ করে সৌদি আরব ত্যাগ করতে হবে।

৫-খ-যাদের মূল পাসপাের্ট নেই

  • যাদের মুল পাসপোর্ট নেই তাদের কে এক এবং পাসপোর্টের ফটোকপি (যদি থাকে) / এক্সিট পেপার (বয়ানুস সফর) দিয়ে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের ৮ নং কক্ষ থেকে ১০৫ রিয়াল ফি পরিশোধ করে ট্রাভেল পারমিট (আউটপাস) সংগ্রহ করতে হবে।
  • ট্রাভেল পারমিট (আউটপাস) সংগ্রহের পর দ্রুত নিজ খরচে বিমান টিকেট সংগ্রহ করে সৌদি আরব ত্যাগ করতে হবে ।

 সতর্কতাসমূহঃ

  • আবেদনকারী কর্মীর নামের উপর কোন ধরনের গাড়ী / যানবাহন রেজিস্টার্ড থাকতে পারবে না । থাকলে, ৩নং অনুচ্ছেদে উল্লেখিত আবেদন জমা দেয়ার পূর্বেই ইকামা নম্বর থেকে ট্রাফিক অফিসের মাধ্যমে ডিলেট করে নিতে হবে ।
  • আবেদনকারী কর্মীর বিরুদ্ধে কোন মামলা থাকলে ৩নং অনুচ্ছেদে উল্লেখিত আবেদন জমা দেয়ার পূর্বেই তা নিষ্পত্তি করে নিতে হবে।
  • ৪নং অনুচ্ছেদে উল্লেখিত জরিমানাসহ যে কোন ধরনের ফাইন / গারামা দিতে হলে তা ব্যংকের মাধ্যমে পরিশােধ করতে হবে । এক্ষেত্রে কোন দালালের খপ্পরে পড়বেন না ।
  • হুরুবপ্রাপ্ত কর্মীদের ন্যায় আমেল মঞ্জিল / সায়েক খাস যারা তারাও আলােচ্য কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরে যেতে পারবে।

দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং হতে আলােচ্য কর্মসুচীর আওতায় প্রদত্ত সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে । এক্ষেত্রে কোন দালালের খপ্পরে পড়বেন না ।

হরুবপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ বর্তমান কর্মসূচির আওতায় সৌদি ত্যাগ করলে পুনরায় কাজের ভিসায় সৌদি আরবে আসতে পারবেন না ।

বর্তমান কর্মসূচি একটি চলমান প্রক্রিয়া , এ বিষয়ে সৌদি সরকার থেকে কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়নি । পরবর্তি নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলমান থাকবে ।

 

দূতাবাস বিজ্ঞপ্তি