• আজঃ বৃহস্পতিবার, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

৭ মে থেকে ১৪ মে ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘােষণা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশে ৩৭ নম্বর ক্রমিকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে করােনা ভাইরাস রোগ ( কোভিড – ১৯ ) এর বিস্তার রােধকল্পে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ৫ মে ২০২০ তারিখের পর নিম্নলিখিত শর্তসাপেক্ষে বিদ্যমান সাধারণ ছুটি বৃদ্ধি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে :

আগামী ৭ মে ২০২০ থেকে ১৪ মে ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘােষণা করা হলো । ৬ মে ২০২০ ( বুদ্ধ পূর্ণিমার সরকারি ছুটি ) , ৮ ও ৯ মে এবং ১৫ ও ১৬ মে ২০২০ তারিখের সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলােও এই ছুটির অন্তর্ভুক্ত থাকবে ।

উক্ত ছুটিকালীন জনসাধারণ ও সকল কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে ।

জরুরি পরিষেবা , যেমন – বিদ্যুৎ , পানি , গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানী , ফায়ার সার্ভিস , বন্দরসমূহের ( স্থলবন্দর , নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর ) কার্যক্রম , পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম , টেলিফোন ও ইন্টারনেট , ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়ােজিত যানবাহন ও কর্মীগণ এ দুটির বাইরে থাকবেন ।

সড়ক ও নৌ পথে সকল প্রকার পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়ােজিত যানবাহন ( ট্রাক , লরি , কার্গো ভেসেল প্রভৃতি ) চলাচল অব্যাহত থাকবে ।

কৃষি পণ্য , সার , কীটনাশক , খাদ্য , শিল্প পণ্য , রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল , কাঁচা বাজার , খাবার , ঔষধের দোকান , হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সবের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ দুটি প্রযোজ্য হবে না ।

চিকিৎসা সেবায় নিয়ােজিত চিকিৎসক ও কর্মী এবং ঔষধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী , গণমাধ্যম ( ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া ) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়ােজিত কর্মীগণ এ ছুটির আওতাবহির্ভূত ।

ঔষধশিল্প , উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পসহ সকল কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্য এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে । স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক প্রণীত বিভিন্ন শিল্প কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা ‘ প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে ।

পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে শিল্প – কারখানা , কৃষি এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলাে পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত করা হবে।

সাধারণ ছুটিকালীন কোনাে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খােলা রাখা যাবে না ।

রমজান , ঈদ এবং ব্যবসা – বাণিজ্যের সুবিধা বিবেচনায় ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে ।

(সকল মন্ত্রণালয় / বিভাগ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অফিসসমূহ প্রয়ােজন অনুসারে খােলা রাখবে । সেইসঙ্গে তারা তাদের অধিক্ষেত্রের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে ; এবং

ঈদ – উল – ফিতরের সরকারি ছুটিতে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না ।

-আদেশক্রমে রাষ্ট্রপতি