• আজঃ শনিবার, ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

ডিপিএল ভেন্যু হিসেবে বিকেএসপি অথবা কক্সবাজারের প্রস্তাব

করোনার নির্বাসনের পর পরিস্থিতির উন্নতি হবার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ (ডিপিএল) দিয়ে ফের ক্রিকেট মাঠে নামাতে চায় ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মট্রোপলিস (সিসিডিএম)। ম্যাচের জন্য তাদের প্রস্তাবনায় রয়েছে দুটি ভেন্যু। বিকেএসপি অথবা কক্সবাজার।

করোনা মাহামারি ছড়িয়ে পড়ার আগে ডিপিএলে মাত্র দুই রাউন্ড খেলার আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। গোটা বিশ্বে ভয়ঙ্কর ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯ নামের এই ভাইরাসটি। দেশের বেশীরভাগ ক্রিকেটারদেরই একমাত্র আয়ের উৎস হচ্ছে ডিপিএল। যে কারণে খেলোয়াড়রা মনে প্রানে চাইছে এই টুর্নামেন্টটি যেন শুরু হয়। তবে এটি শুরুর আগে অবশ্যই পর্যালোচনা করা হবে করোনা পরিস্থিতি। ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সীমিত পরিসরে শুরু করেছে ক্রিকেটিং কর্মকান্ড।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও সিসিডিএমও ক্রিকেট শুরুর বিষয়ে ইতিবাচক। সে লক্ষ্যে দেশের ভেন্যুগুলোকে প্রস্তুত করতে শুরু করেছে। সিসিডিএমের চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ বিরাজমান পরিস্থিতিতে বিকেএসপির দুটি ভেন্যু কিংবা কক্সবাজারে লীগের ম্যাচগুলো আয়োজন করার পক্ষে। কারণ সেখানেই কেবল কঠোর আইসোলেশনের মধ্যে খেলোয়াড়দের রাখার সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের পেশাদার ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের (কোয়াব) একটি বৈঠকে যোগদানের পর এমন মন্তব্য করেছেন ইনাম আহমেদ। তিনি বলেন,‘ আমি ছাড়াও দেশের প্রথম শ্রেনীর ও জাতীয় দলের বেশ ক’জন ক্রিকেটার ওই বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলেন। ডিপিএল ফের শুরুর সম্ভাবনা নিয়েও আমরা কথা বলেছি। তবে এই মুহুর্তে তারিখ নির্ধারন করা সম্ভব নয়। আমরা চাই ডিপিএলের ক্লাবগুলো অন্তত ভর্চুয়ালি ভাবে হলেও যেন খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। এর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ধরে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ১৫ দিনের সংক্ষিপ্ত নোটিশেই খেলা শুরুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে ক্লাবগুলোকে।’

তিনি বলেন,‘ আমার মতে বিকেএসপি বা কক্সবাজার হবে বর্তমান পরিস্থিতিতে খেলা চালানোর জন্য উপযুক্ত ভেন্যু। কারণ এই দুটি স্থানেই কেবল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের কঠিন ভাবে আইসোলেশন সহ আবাসনের সুযোগ আছে। ’

করোনা পরিস্থÍতির উন্নতি হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডিপিএলকেই প্রাধান্য দেয়া হবে বলে খেলোয়াড়দের আস্বস্থ করেন ইনাম আহমেদ। তিনি বলেন,‘ আমরা আশা করছি ডিপিএল দিয়েই দেশে শুরু হবে ক্রিকেট। বিসিবি সভাপতিও বিভিন্ন বৈঠকে এমনটি জানিয়েছেন।’

কোভিড-১৯ এর মাহামারিতে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ স্থগিত হয়ে গেছে। তন্মধ্যে রয়েছে ছয়টি টেস্ট (৩টি শ্রীলংকা, দুটি অস্ট্রেলিয়া ও একটি পাকিস্তানের বিপক্ষে), চারটি ওয়ানডে (৩টি আয়ারল্যান্ডের ও একটি পাকিস্তানের বিপক্ষে) এবং চারটি টি-২০ (আয়ারল্যান্ড) ম্যাচ।