• আজঃ মঙ্গলবার, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

কুরআনের সাথে সম্পর্ক কীভাবে করব?

উস্তাদ নোমান আলী খান যে টিপসটা দিলেন সেটা সম্ভবত আমার জীবনে পাওয়া মিলিয়ন ডলার টিপসের একটি!উনি বললেন প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট হলেও কুরআন পড়তে এবং প্রতিটা আয়াতকে একটা দুআতে কনভার্ট করতে।

উনি উদাহরণ দিলেন, ধরুন আমরা যদি সূরা বাক্বারা পড়া শুরু করি, যখন পড়ব-“আলিফ লাম মীম”….দুআ করতে পারি যে আল্লাহ তুমি জানো, আমি জানি না। তোমার জ্ঞানের ভাণ্ডার থেকে যেটুকু আমার জন্য উপকারী তা আমাকে দাও (কারণ এটা মুতাশাব্বিহাত এর একটি, কুরআনের যে আয়াতগুলার অর্থ শুধু আল্লাহই জানেন)”এই সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই”……আল্লাহ এই কিতাবের ব্যাপারে কখনও যেন সন্দেহ আমার হৃদয়ে প্রবেশ করতে না পারে!

“এটা মুত্তাক্বীদের জন্য পথ প্রদর্শক”…..আল্লাহ তুমি আমাকে মুত্তাক্বীদের অন্তর্ভুক্ত কর।ঊনি যখন এগুলা বলছিলেন, আমার দুরন্ত মন তখন চিন্তা করছিল কুরআনের সব আয়াতকে কি দুআতে পরিণত করা সম্ভব? যখন কোনো একটা ঘটনা বর্ণিত হয়েছে? এমন আয়াত যদি পড়ি?

আমার মনের কথা টের পেয়েই ঊনি বুঝি বললেন যে মুসা আলাইহিস সালাম এর ঘটনাটা যদি আমি পড়তে থাকি, যেখানে ঊনি মিশরীয়কে এমন চড় দিয়েছিলেন যে বেচারা মারাই গিয়েছিল, তবে নিশ্চয়ই আমার দুআ এটা হবেনা যে আল্লাহ আমার থাপ্পড়ে কেউ যেন কখনও মারা না যায় বরং আমার দুআ হবেঃ

আল্লাহ আমি যেন কখনও কারো ব্যাপারে দ্রুত কোনো উপসংহারে না পৌঁছাই।আল্লাহ আমি যেন কোনো ভুল করলে সাথে সাথে সেটা টের পাই ও তোমার কাছে ক্ষমা চাইতে পারি, যেমনটা মুসা আলাইহিস সালাম করেছিলেন।আমি যেন সৎ উদ্দেশ্যেও কাউকে কখনও আহত না করি।

কী চমৎকার, তাই না? কুরআনের আয়াত থেকে দুআ ডিরাইভ করতেও কতটা প্রজ্ঞা লাগে সেটা উনি এই উদাহরণ না দিলে আমি বুঝতাম না কখনই।

[উস্তাদ নোমান আলী খানের মালেয়শিয়া সফরে ভলান্টিয়ার হবার অভিজ্ঞতা ও কিছু উপলব্ধি লিখেছেন – হামিদা মুবাশশিরা ।

 

নিয়মিত আপডেট পেতে “প্রবাস জীবন” ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন