• আজঃ বৃহস্পতিবার, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা অক্টোবর, ২০২০ ইং

নড়াইলে গৃহবধূ আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতারের দাবি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের উত্তরলংকারচর গ্রামের গৃহবধূ মনিরা বেগম আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার প্রধান আসামি আকিদুর শেখকে (৩৫) গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা। মনিরা দুবাই প্রবাসী উত্তরলংকারচর গ্রামের লোকমান বিশ্বাস ওরফে আসমানের স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, লোহাগড়ার উত্তরলংকারচর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আকিদুর শেখ মনিরা বেগমের (৩৬) সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে আকিদুর গৃহবধূ মনিরার নগ্নছবি তুলে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর এ বছরের ২৯ জানুয়ারি গভীর রাতে আকিদুর তার দুই সহযোগীকে নিয়ে গৃহবধূ মনিরার ঘরে ঢুকে আবারো অনৈতিক কাজ করতে যায়।

মনিরা বাঁধা দিলে আকিদুরসহ তার সহযোগী মহিনুর ও শওকত মোল্যা গৃহবধূকে বেদম মারধর করে। এ সময় মনিরার আত্মচিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে আকিদুর ও তার দুই সহযোগী পালিয়ে যায়। প্রতিবেশিদের ধাওয়ায় দৌঁড়ে পালানোর সময় তারা দুটি মোবাইল ফোন ফেলে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে গৃহবধূ মনিরা ঘটনার পরদিন ১ মার্চ সকালে বিষপানে আত্মহত্যা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের দুটি এবং মনিরার মোবাইল ফোন জব্দ করে।

এ ঘটনায় মনিরার স্বামী লোকমান বিশ্বাস আসমান বিদেশ থেকে বাড়িতে এসে গত ২৮জুন আকিদুরসহ তার দুই সহযোগীর নামে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ পর্ণোগ্রাফি আইন এবং আত্মহত্যা প্ররোচনা ও সহায়তা করার অপরাধের ধারায় মামলাটি রেকর্ড করে। এ

রপর পুলিশ আকিদুরের সহযোগী মহিনুরকে গ্রেফতার করে। তবে মামলার প্রধান আসামি আকিদুরসহ অপর সহযোগী শওকত মোল্যাকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। বাদীপক্ষের অভিযোগ, আকিদুল ও শওকত এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না।

এছাড়া মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লোহাগড়া থানার এসআই সাফাত রহমান বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।